মুখোশধারী
নিজের প্রতি একটু কোমল হোন।
কারণ! জীবনের প্রতিটি ফলাফল, আল্লাহর দেওয়া তাকদীর অনুযায়ী নির্ধারিত।
আপনি কি খাবেন ^ কার সাথে দেখা হবে, এমনকি আপনার চোখ দুটো কতবার পলক ফেলবে, সবকিছুই আল্লাহর ইচ্ছের মধ্যে নির্ধারিত।
আপনার দায়িত্ব শুধু চেষ্টা করা, সৎভাবে - আন্তরিকভাবে। তারপর বাকিটা ছেড়ে দিন আল্লাহর উপর। কারণ যা অন্য কারো জন্য নির্ধারিত, তা কখনোই আপনার কাছে আসবে না। আর যা আপনার ভাগ্য লেখা আছে, তা আপনি পাবেনই - যত দূরেই থাকুক, যত অসম্ভবই মনে হোক না কেন।
তাই দুশ্চিন্তা করে লাভ নেই, নিজেকে দোষারোপ করা থেকেও বিরত থাকুন। এবং বিশ্বাস রাখুন আল্লাহ যা ভাগ্য লিখে রেখেছেন, সেটাই হয়তো আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি উত্তম।
<--------- •|• -------->
সময়ের ব্যবধানে মানুষের কত রকমের মুখোশ বদলাতে দেখি আমি। কখনো লাল, কখনো নীল, আবার কখনো বা কুচকুচে কালো।
প্রতিটা মুখোশের পিছনে লুকিয়ে থাকে, আলাদা করে একেকটা গল্প, আলাদা একেকটা অভিনয়।
আমি অনেকবার চেষ্টা করেছি তোমাদের মতো করে, সেই মুখোশগুলো পরতে, কিন্তু পারিনি।
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বারবার নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু কোথাও যেনো আটকে যাই।
আমার ভেতরের মানুষটা বারবার প্রশ্ন করে, এটা কি সত্যিই আমি?
কেনো জানো..?
আমাকে একটু বলবে, কিভাবে একটার পর একটা মুখোশ বদলানো যায়। কিভাবে হাসির নিচে কান্না লুকানো যায়, আর কান্নার ভেতরে হাসির অভিনয় করতে হয়।
কারণ! আমিও চাই মুখোশধারী হতে।
