সৃষ্টিকর্তার চাইলে
আপনি নিঃস্ব হতে পারেন
আপনার ধন-সম্পদ না থাকতে পারে। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার তো সবকিছুই আছে! তিনি যদি গোটা একটা পৃথিবী এবং এর ভেতরে থাকা সমস্ত কল্যাণ আপনাকে দিয়ে দেন, তার ভান্ডার থেকে একটু কমবে না!
দুআ করার কখনো নিজের দিকে তাকাবেন না। আপনার কি আছে, কি নাই, তা নিয়ে ভাববেন না। আপনি নিজেকে শূন্যই ভাবুন। শূন্য হয়েই আল্লাহর কাছে চাইতে থাকুন। আল্লাহ আজ্জা-ওয়াজাল আপনাকে পূর্ণ করে দিতে সক্ষম।
আপনার রবের ডিকশনারিতে "অসম্ভব" বলে কোন শব্দ নাই। অভাব বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব নাই। তিনি "হও" বললেই তা হয়ে যায়। তিনি যাকে ইচ্ছে বেহিসাবি রিজিক দিয়ে থাকেন। কারণ তিনি সৃষ্টি জগতের রাজাধিরাজ- শাহানশাহ।
চাইতে থাকুন আল্লাহর কাছে। অনেক বেশি বেশি করে। দুআ করুন প্রচুর। আখিরাত ও দুনিয়ার সমস্ত কল্যাণ চেয়ে নিন তার কাছে। ছোট, বড়, সম্ভব, অসম্ভব সবকিছুর জন্য দুআ করতে থাকুন।
যত কষ্ট, বেদনা আল্লাহর সাথে শেয়ার করুন। সারাদিন কারণে- অকারণে আল্লাহর সাথে কথা বলতে থাকুন।
আল্লাহ যখন আপনাকে দিবেন, পৃথিবীর কোনো শক্তি আপনার কল্যাণ ঠেকাতে পারেবে না। শুধু আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। ইনশাআল্লাহ তিনি সবকিছু দেওয়ার মালিক।🌸
![]() |
| Ls Diaries |
•|• ----^^------ •|•
🌸🏵️
আপনি মানুষের জন্য
যতই স্যাক্রিফাইস করুন না কেন, তাদের কাছে আপনার কোন মূল্য নাই। আপনি বিশ্বাস করুন আর নাই বা করুন? এটাই বাস্তবতা।
স্বার্থ ছাড়া আপনি তাদের কখনোই পাশে পাবেন না। তারা মূলত আপনার জীবনে আসে - আপনার কাছে থেকে শিখতে, জানতে।
তাদের কাজ শেষ তো আপনাকে ছুড়ে ফেলে দিবে, এটাই স্বাভাবিক।
নিজের আগে কখনো কোনো ভুল মানুষকে প্রায়োরিটি দিতে যাবেন না। আগে নিজের প্রয়োজন ঠিক করুন, তারপর না হয় তাদের নিয়ে ভাবুন।
জীবনে মানুষ থেকে মুখোশ বেশি, যারা প্রয়োজন শেষে তাদের মুখোশ খুলে নিজেদের আসল চেহারা দেখিয়ে দেয়। যা খুবই ভয়ংকর।
এরকম ধরণের মানুষ গুলো স্বার্থপরতায় আর বেঈমানিতে সবসময় একধাপ এগিয়ে যায়।
![]() |
| Ls Diaries |
•|•
এমন মানুষ কে হারিয়ে যেতে দিয়েন না
কিছু মানুষ দেখবেন এদের কোনো ফ্রেন্ড সার্কেল থাকেনা , পরিচিতি থাকেনা। বাসার মানুষজনের কাছেও এরা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। ঘরে আছে নাকি নেই সেটাও টের পাওয়া যায় না। বাপ-মায়ের কোনো হম্বিতম্বি কিংবা গালগল্প নেই এদের নিয়ে।
এদের পার্সোনাল লাইফ, একাডেমিক লাইফ, প্রফেশনাল লাইফ সবই কেমন টিপটিপ করে চলে। কখনো কোন বিরাট কিছু এচিভ করলে ওভেচ্ছা জানানোর ও কেউ থাকে না। আবার জীবনে খুব খারাপ ঘটে গেলে দুঃখ প্রকাশ করারও কেউ থাকে না। নিজের এচিভমেন্টে এরা নিজেরাই খুশি হয়, দুঃসংবাদের নিজে নিজেই দুঃখ পায়।
এদের জীবন নিয়ে কোনো রকম অভিযোগ নেই। সৃষ্টিকর্তার প্রতি এরা এতোটাই অবনত যেন যে এদের জীবনে কিচ্ছুটির অভাব নেই। যা পায়, যতটুকু পায় তাতেই খুশি এরা।
অনেক ভীরের মধ্যে এমন মানুষগুলো সহজে চোখে পড়ে না, কথার জাদুতে অন্যকে মুগ্ধও করতে পারে না। এদের সামনে অন্য কেউ কথা বললে এরা তাল মিলিয়ে হাসে, কেউ কাঁদলে মুখে দুঃখ ফুটিয়ে তোলে। বাড়তি কথা বলে না, কারোর সাথে ঝগড়া বিবাদ ও করে না।
আপনার আশেপাশে এমন কেউ থাকলে তাকে হারিয়ে যেতে দিয়েন না, নিজের সাথে সাথে রাখুন। কারণ খুব পিউর একটা মন নিয়ে দুনিয়ায় না থাকার মতো বেঁচে থাকে, এই রকম মানুষগুলো। এরা একেকটা হাসনেহেনার ফুলের মতো।
![]() |
| Ls Diaries |
•|• ইসরাত •|•


